পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের মধ্যে ইতালীর Collosseum অন্যতম দর্শনীয় আশ্চর্য , যার নির্মাণ কাজ Emperor Vespasian 72 ADতে শুরু করেছিলেন। ঐতিহ্যগতভাবে এটি প্রায় ৬৫০০০-৭০০০০ দর্শক ধারন করতে পারে, এইসমস্ত দর্শকদের সমাগম পরিলক্ষিত হয়েছ যখন এটি Gladiator Contest, পাখি শীকার, বাসস্থান, কর্মশালয় এবং ধর্মীয় উপসালয়ের স্থান হিসেবে বিভিন্ন সময় ব্যাবহৃত হয়েছে। এখনকার সময় এটির বহি: দেয়ালের উপরিভাগে একটি যাদুঘর রয়েছে যা উৎসর্গ করা হয়েছে গ্রিকদের পৌরানিকতাকেঘিরে। এটির নিচের অংশে অবস্হিত ভূগর্ভস্থ পথগুলো যা আগে gladiator এবং পশুপাখির চলাচলে ব্যবহৃত হত তা ২০১০ সালে জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ছবিগুলোয় ১৭৭৬, ১৮৫৯, ২০০৮, ২০২২ সালের রুপরেখাকে তুলেধরা হয়েছে।
এই লেখাটির আগের লেখায় গাড়ি কেনার আগে যে বিষয়গুলির দিকে আলোকপাত করতে হয় সেই দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছিল।গাড়ি কেনার পরের অভিজ্ঞতা এবারের লেখাটিতে ততুলে ধরব। যে দিকগুলো তুলে ধরেছিলাম সেই দিকগুলোর বাহিরের কিছু দিকের দিকে যেমনঃ গাড়ির ব্রান্ডনেম, উৎপাদনসন, কোথায় এবংকিভাবে গাড়িটি কিনতেছেন সেই দিকে আলোকপাত করা জরুরী। এখানে উল্লেখ্য যে, গাড়িটিকে ব্যক্তিগত ব্যবহার,ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নাকি ড্রাইভিং বা মেকানিক অভিজ্ঞতার জন্যে কেনা হচ্ছে তা বিবেচনা করা দরকার। এসব ব্যাপার মাথায় রেখে আমার গাড়ি কেনার পরের অভিজ্ঞতা এবারের লেখাটিতে ততুলে ধরব। গাড়িঃপুরাতন গাড়ির সব কিছুই পুরাতন, তবে পুরান গাড়িকে কিছুটা হলেও নতুন গাড়ির মত চালানো যায়।এখানে যদি আমার গাড়ির ব্রান্ডনেম লিখি তা হলে লেখাটি কোন একদিকে কেন্দ্রীভূত হবে, তাই গাড়ির ব্রান্ডনেম না লিখে সাধারন পুরাতন গাড়ি নিয়ে লিখছি। ইঞ্জিনঃVVTI ও EFI ইঞ্জিন বেশিরভাগ গাড়িতে দেখা যায়।হঠাৎ ইঞ্জিন চালু না হলে নিম্নলিখিত উপায়ে এই দুই ...




Comments
Post a Comment