এই লেখাটির আগের লেখায় গাড়ি কেনার আগে যে বিষয়গুলির দিকে আলোকপাত করতে হয় সেই দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছিল।গাড়ি কেনার পরের অভিজ্ঞতা এবারের লেখাটিতে ততুলে ধরব। যে দিকগুলো তুলে ধরেছিলাম সেই দিকগুলোর বাহিরের কিছু দিকের দিকে যেমনঃ গাড়ির ব্রান্ডনেম, উৎপাদনসন, কোথায় এবংকিভাবে গাড়িটি কিনতেছেন সেই দিকে আলোকপাত করা জরুরী। এখানে উল্লেখ্য যে, গাড়িটিকে ব্যক্তিগত ব্যবহার,ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নাকি ড্রাইভিং বা মেকানিক অভিজ্ঞতার জন্যে কেনা হচ্ছে তা বিবেচনা করা দরকার। এসব ব্যাপার মাথায় রেখে আমার গাড়ি কেনার পরের অভিজ্ঞতা এবারের লেখাটিতে ততুলে ধরব। গাড়িঃপুরাতন গাড়ির সব কিছুই পুরাতন, তবে পুরান গাড়িকে কিছুটা হলেও নতুন গাড়ির মত চালানো যায়।এখানে যদি আমার গাড়ির ব্রান্ডনেম লিখি তা হলে লেখাটি কোন একদিকে কেন্দ্রীভূত হবে, তাই গাড়ির ব্রান্ডনেম না লিখে সাধারন পুরাতন গাড়ি নিয়ে লিখছি। ইঞ্জিনঃVVTI ও EFI ইঞ্জিন বেশিরভাগ গাড়িতে দেখা যায়।হঠাৎ ইঞ্জিন চালু না হলে নিম্নলিখিত উপায়ে এই দুই ...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
গাড়ি কেনার আগে করনীয়ঃ গাড়ি কেনার ব্যাপারে আমরা অনেকেই আগ্রহী, যাদের বর্তমানে গাড়ি আছে অথবা নেই তাদের মাঝেও গাড়ির ব্যাপারে অনেক আগ্রহ লক্ষ করা যায়। আমাদের দেশে নানা রকম ব্র্যান্ডের এবং মডেলের গাড়ি আছে এবং এগুলোর বেশিরভাগই রিকন্ডিশন্ড জাপানি গাড়ি। গাড়ি কেনার সময় আমরা যেমন এসবের দিকে আলোকপাত করি,একই ভাবে গাড়িটি কতটুকু টেকসই হবে , কি পব়িমান জ্বালানি খরচ করবে এবং একই ধরনের গাড়ির মাঝে যেটি কিনতে চাচ্ছি সেটির দাম ন্যায্য কিনা সেই দিকেও খেয়াল রাখা জরুরী।পুরাতন গাড়ি হলে নিম্ন লিখিত দিকগুলোর দিকে আলোকপাত করলে গাড়ি কিনে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। গাড়ির বডি বা চেছিসঃগাড়ির পেছনের বাম্পার থেকে শুরু করে সামনের বোনার্ট এবং বাম্পার পর্যন্ত সব দিকে ভালভাবে দেখতে হবে কোন দাগ আছে কিনা, যদিও ডেন্টিং এবং পেইন্টিং এমন ভাবে করা যায় তা থেকে এর ভেতরে কঠিন কোন ক্ষত বা এটি কতদিন পুরনো তা বোঝা মুশকিল।তবে ডেন্টিং এবং পেইন্টিং কোয়ালিটি যদি ভাল মানের হয়ে থাকে তা হলে পুনরায় একাজটি করাতে যা খরচ হবে তা থেকে অনেকাংশেই রক্ষা পাওয়া যায়। যদি সম্ভব হয় গড়িটিকে লিফট দিয়ে তুল...
- Get link
- X
- Other Apps
পৃথিবীর সাতটি আশ্চর্যের মধ্যে ইতালীর Collosseum অন্যতম দর্শনীয় আশ্চর্য , যার নির্মাণ কাজ Emperor Vespasian 72 ADতে শুরু করেছিলেন। ঐতিহ্যগতভাবে এটি প্রায় ৬৫০০০-৭০০০০ দর্শক ধারন করতে পারে, এইসমস্ত দর্শকদের সমাগম পরিলক্ষিত হয়েছ যখন এটি Gladiator Contest, পাখি শীকার, বাসস্থান, কর্মশালয় এবং ধর্মীয় উপসালয়ের স্থান হিসেবে বিভিন্ন সময় ব্যাবহৃত হয়েছে। এখনকার সময় এটির বহি: দেয়ালের উপরিভাগে একটি যাদুঘর রয়েছে যা উৎসর্গ করা হয়েছে গ্রিকদের পৌরানিকতাকেঘিরে। এটির নিচের অংশে অবস্হিত ভূগর্ভস্থ পথগুলো যা আগে gladiator এবং পশুপাখির চলাচলে ব্যবহৃত হত তা ২০১০ সালে জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ছবিগুলোয় ১৭৭৬, ১৮৫৯, ২০০৮, ২০২২ সালের রুপরেখাকে তুলেধরা হয়েছে।